Home বিভিন্ন ধরণের খাবার মিষ্টি ডোবা দই

মিষ্টি ডোবা দই

মিষ্টি ডোবা দই

রেসিপি ও ছবিঃ ফারহানা আখতার স্বপ্না

উপকরণঃ ফুল ক্রিম দুধ ১ লিটার
চিনি (স্বাদ অনুযায়ী কিছুটা বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারেন) ½ কাপ
টক দই (বীজ দই হিসেবে) ১ কাপ
মিষ্টি (চমচম বা গোলাপজামুন) ৭–৮ টি

তৈরি করার নিয়মঃ প্রথমে পাতলা সুতি কাপড়ে বা ছাঁকনিতে টক দই নিয়ে ঝুলিয়ে রাখুন, যেন সবটুকু পানি ঝরে যায়। (দইয়ে পানি থাকলে পরবর্তীতে পাতা দই থেকে পানি ছেড়ে দেবে)। পাত্রে দুধ বসিয়ে মাঝারি-উচ্চ আঁচে জ্বাল দিন। অনবরত নাড়তে থাকুন যেন ওপরে সর না পড়ে। দুধ কিছুটা ঘন হয়ে এলে চিনি মিশিয়ে দিন। চিনি থেকে বের হওয়া পানি শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। (খেয়াল রাখবেন, দইয়ের দুধ যেন অতিরিক্ত ঘন না হয়। তা না হলে দই আঠালো হয়ে যাবে)। এবার চুলা বন্ধ করে দুধ হালকা ঠান্ডা হতে দিন।


তায়্যিব (TAYYIB) মানেই খাঁটি, পবিত্র ও হালাল। “তায়্যিব” এটি আপনার আস্থার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। তায়্যিব-এ আপনি কেনাকাটা, বিভিন্ন তথ্য ও বিভিন্ন সেবা পাবেন। “তায়্যিব” থেকে আমাদের রেসিপি প্ল্যাটফর্মের পথচলা শুরু হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, পবিত্র ও হালাল জীবনযাপনের মূল ভিত্তি হলো আমাদের প্রতিদিনের খাবার। তাই আপনার রান্নাঘরকে আরও সমৃদ্ধ, বিশুদ্ধ এবং আনন্দময় করে তুলতেই আমরা নিয়ে এসেছি “তায়্যিব রেসিপি“।

আমাদের সেবা ও বিভাগঃ বাংলাদেশ (স্থাপনা/দেশ–বিষয়ক তথ্য), খাঁটি (ভেজালমুক্ত ও প্রাকৃতিক পণ্য), বাগান (চারা, বীজ ও প্রাকৃতিক চাষ সামগ্রী), রেসিপি (ঘরোয়া/ঐতিহ্যবাহী রান্না), সাহিত্য (গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ), প্রিন্ট (প্রিমিয়াম প্রিন্টিং ও দ্রুত হোম ডেলিভারি), ইসলাম (ইসলামিক জ্ঞান) ইত্যাদি। আপনাকে বিভিন্ন উন্নত সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের নতুন ওয়েবসাইট তৈরির কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.tayyib.org


দুধের তাপমাত্রা এমন হবে, যেন একটি আঙুল ডুবালে কয়েক সেকেন্ড সহনীয় গরম অনুভূত হয় (কুসুম গরম)। আগে থেকে পানি ঝরিয়ে রাখা টক দই ভালোভাবে ফেটে নিন। কুসুম গরম দুধে ফেটানো দই দিয়ে হ্যান্ড উইস্ক (Hand Whisk) দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। (বেশি সময় নিয়ে নাড়বেন না, যেন দুধ ঠান্ডা না হয়ে যায়।) একটি ছাঁকনি দিয়ে মিশ্রণটি ছেঁকে নিন, যাতে কোনো দানাদার অংশ না থাকে এবং মসৃণ টেক্সচার আসে।

মিষ্টিগুলো (চমচম/গোলাপজামুন) কিচেন টিস্যুর ওপর রাখুন। যেন অতিরিক্ত সিরা টেনে নেয়। (মিষ্টি চেপে রস বের করতে যাবেন না)। দই পাতার পাত্রের নিচে মিষ্টিগুলো সুন্দর করে সাজিয়ে দিন। মিষ্টির ওপর থেকে প্রস্তুত করা দইয়ের মিশ্রণটি ঢেলে দিন। পাত্রের মুখ ঢাকনা বা ফয়েল পেপার দিয়ে ভালোভাবে পেঁচিয়ে নিন।


দই বসানোর বিভিন্ন পদ্ধতি (পছন্দমতো যেকোনো ১টি বেছে নিন)

পদ্ধতি ০১ (ওভেন বেকিং)

১২০°C এ প্রি-হিট করা ওভেনে পাত্রটি রেখে ১.৫ (দেড়) ঘণ্টা বেক করুন। এরপর ওভেন বন্ধ করে পাত্রটি নাড়াচাড়া না করে আরও ২ ঘণ্টা বন্ধ ওভেনেই রেখে দিন।

পদ্ধতি ২ (ওভেনের গরমে রাখা)

ওভেন ১৯০°C এ ১৫ মিনিট প্রি-হিট করে বন্ধ করে দিন। এবার দইয়ের পাত্রটি ভেতরে রেখে ৬-৮ ঘণ্টা রেখে দিন (এই সময়ে ওভেন খোলা বা পাত্র নাড়ানো যাবে না)।

পদ্ধতি ৩ (সনাতন পদ্ধতি)

দইয়ের পাত্রটি মোটা তোয়ালে বা ছোট কম্বল দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে ঘরের তুলনামূলক গরম জায়গায় (যেমন: বন্ধ আলমারি, ওভেনের ভিতর বা গরম আবহাওয়ায় বারান্দায়) ১০-১২ ঘণ্টা রেখে দিন।

পদ্ধতি ৪ (চুলায় দমে বসানো)

একটি বড় হাঁড়ির ভেতরে তোয়ালে বিছিয়ে তার ওপর দইয়ের পাত্রটি রাখুন। তোয়ালে দিয়ে দইয়ের পাত্র মুড়িয়ে হাঁড়ির ঢাকনা বন্ধ করে দিন। এবার একদম লো-ফ্লেমে (খুবই কম আঁচে) ২ ঘণ্টা চুলায় রেখে দিন। ২ ঘণ্টা পর চুলা বন্ধ করে এভাবেই কয়েক ঘণ্টা রেখে দিন।

পদ্ধতি ৫ (বাষ্প/স্টিম পদ্ধতি)

একটি হাঁড়িতে ২ গ্লাস পানি ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। ভেতরে একটি স্ট্যান্ড বসিয়ে দইয়ের পাত্রটি রাখুন। হাঁড়ির ঢাকনা বন্ধ করে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। ২ ঘণ্টার মধ্যেই দই জমে যাবে।


দই জমে যাওয়ার পর নরমাল ফ্রিজে রেখে অন্তত ২-৩ ঘণ্টা ঠান্ডা করে নিন। ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন দারুণ সুস্বাদু মিষ্টি-ডোবা দই।

Previous articleপালং পোলাও
Next articleছানা পোড়া
রেসিপি (www.Tayyib.org)
“রেসিপি” — তায়্যিব-এর একটি ভালোবাসার উদ্যোগ। খাবারের প্রতিটি গল্পই শুরু হয় মায়ের হাতের স্নেহমাখা স্বাদ থেকে, আর সেই স্বাদ ছড়িয়ে পড়ে ঘর থেকে ঘরে, দেশ থেকে বিদেশে, মানুষ থেকে মানুষের হৃদয়ে। আমাদের "রেসিপি" ওয়েবসাইট আজ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও সমৃদ্ধ রেসিপি প্ল্যাটফর্ম। দেশি ও প্রবাসি বাংলাদেশি রন্ধনশিল্পী, গৃহিণী, ফুড ব্লগার ও পেশাদার শেফ—সবাই মিলে এখানে তৈরি করছেন এক বিশাল রান্নার জগৎ। শুধু বাংলাদেশ নয়, আমাদের রেসিপির স্বাদ এখন ছড়িয়ে পড়েছে ভারত, নেপাল, মালয়েশিয়া, কাতার, দুবাই, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ পৃথিবীর নানা প্রান্তের রান্নাঘরে। যেখানেই বাঙালির রান্নাঘর — সেখানেই “রেসিপি”-এর উপস্থিতি। রান্না শুধু খাবার নয়—এটা স্মৃতি, ঐতিহ্য, এবং ভালোবাসার ভাষা। আর আমরা সেই ভাষা নিইয়ে যাচ্ছি বিশ্বের প্রতিটি বাঙালি হৃদয়ে। “রেসিপি” — আপনার রান্নার সাথী, আপনার স্বাদের পরিবার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here